প্রয়াত বিশিষ্ট সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ
ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময় ওপেনার হিসেবে খেললেও সাকিবের একাদশে গেইলের জায়গা হয়েছে তিনে। আর কোহলি তো ভারতের হয়ে রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়েই চলেছেন, যেন এক রানমেশিন। কোহলির জায়গা পাওয়াটা তাই অনুমিতই ছিল।
পাঁচ নম্বরে জায়গা হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার অলরাউন্ডার জ্যাক ক্যালিসের। অনেক বিশ্লেষকের মতেই ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার ক্যালিস। এরপর ছয় নাম্বারে আছেন ধোনি। ক্রিকেট বিশ্বে সবচেয়ে সফল অধিনায়কদের মধ্যে একজন ধোনি। উইকেটকিপিং আর বিগ হিটিংয়েও ধোনি বেশ পারদর্শী। সাকিবের একাদশে কিপিংয়ের পাশাপাশি অধিনায়ক হিসেবেও থাকছেন তিনি।
পৃথিবীর প্রথম হাসপাতাল ট্রেনের সূচনা হল বাংলাতে
এরপরের জায়গাটা সাকিব নিজের জন্যই রেখেছেন। সাত নম্বর পজিশনে থাকছেন সাকিব আল হাসান। ব্যাটে- বলে অসংখ্য ম্যাচ জেতানো সাকিব প্রজন্মের সেরাদের কাতারেই আছেন। একজন পরিপূর্ণ ব্যাটসম্যান অথবা বোলার দুই ভূমিকাতেই অনায়াসে যারা দলে জায়গা পেয়ে যেতে পারেন সেই ক্রিকেটারদের ছোট্ট তালিকাতে অবশ্যই তিনি থাকবেন, সাকিবের জায়গা নিয়ে তাই প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নেই।
স্পিন বিভাগে দুই গ্রেট শ্রীলংকান মুত্তিয়া মুরালিধরন আর অস্ট্রেলিয়ান শেন ওয়ার্ন জায়গা পেয়েছেন। দুইজনই ক্যারিয়ারজুড়ে নিজেদের স্পিন ভেলকি দিয়ে নাচিয়ে ছেড়েছেন ব্যাটসম্যানদের। আর একাদশের বাকি দুই সদস্য দুইজন পেসার, ওয়াসিম আকরাম আর গ্ল্যান ম্যাকগ্রা। সুইংয়ের জন্য দারুণ বিখ্যাত ছিলেন ওয়াসিম আর ম্যাকগ্রার ছিল নিখুঁত এক্যুরেসি। সর্বকালের সেরা পেসারদের কাতারে অবশ্যই থাকবেন বিখ্যাত এই দুই ফাস্ট বোলার।
মানবিক : ব্যাগ ভর্তি টাকা পেয়েও মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিলেন বনগাঁর টোটো চালক
সাকিবের সর্বকালের সেরা একাদশ: শচীন টেন্ডুলকার, সাঈদ আনোয়ার, ক্রিস গেইল, বিরাট কোহলি, জ্যাক ক্যালিস, মহেন্দ্র সিং ধোনি, সাকিব আল হাসান, মুত্তিয়া মুরালিধরন, শেন ওয়ার্ন, ওয়াসিম আকরাম ও গ্লেন ম্যাকগ্রা।